বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোন একটি অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ। মোবাইল ফোন এর ব্যবহার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ করেছে। তবে মোবাইল ফোনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার শারিরীক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মোবাইল ফোনের ইলেকট্রো মেগনেট্রিক রেডিয়েশনের ফলে ক্যান্সারের মত মারাত্নক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
ক্ষতি কর দিক সমূহ :
শিশুদের ক্ষেত্রে :
মোবাইল ফোনের স্ক্রীনের প্রতি মাত্রারিক্ত আসক্তি হতে পারে
পড়াশোনায় মনোযোগের অভাব
চোখের ক্ষতি
একা থাকার প্রবনতা বাড়ে
সামাজিকীকরণের অভাব
খেলা ধুলার প্রতি অনিহা
শিশুরা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
বড়দের ক্ষেত্রে :
মাথাব্যথা
ঘুম কম হওয়া ,
সন্দেহ বা সংশয়
স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে
ব্রন বা মমিÍষ্ক, স্যালাইভারি ও প্যারোটিড গ্রন্থিতে টিউমার এবং ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে
বিষন্নতা বাড়ায়
কানের ভেতরে ভোঁ ভোঁ শব্দ করে
প্রচন্ড হাঁড়ে ব্যথা : (কাঁধ, কনুই,কব্জি)
সড়ক দূর্ঘটনার পরিমান বেড়ে যায়
অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি অফিসে কাজের সময় নষ্ট করে ।
গর্ভবতী:
গর্ভবতী মার বিষন্নতা দেখা দিতে পারে । গবেষনায় দেখা গিয়েছে, যে মা গর্ভাবস্থায় কম মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তাদের শিশুদের ৯৭% আচারণগত সমস্যা কম হয় । আর যে মা গর্ভাবস্থায় বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তাদের শিশুদের ১৮% আচারণগত সমস্যা বেশি হয় । শিশুর আচারণগত সমস্যাগুলি যেমন মনোযোগের ও সামাজিকতার অভাব ইত্যাদি।
মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিয়ম :
৩ মিনিটের বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করা উচিত না।
২০ সেকেন্ড মোবাইল ব্যবহার করা উত্তম।
একবার কথা বলার পর অবশ্যই ১৫ মিনিটের বিরতি দিতে হবে ।
পরামর্শ :
ঘুমের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এমনকি বেডরুমেও মোবাইল ফোন রাখা থেকে বিরত থাকুন। আপনার শিশুর কাছ থেকে মোবাইল ফোন দূরে রাখুন ।
