প্রেমিকা অনশন চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘নূর নবী আমার সহপাঠী। দেড় বছর আগে তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়। কিন্তু বিয়ের কথা বললে নূর নবী রাজি হয় না। আমার দাবি, তার পরিবারের লোকজন এখানে এসে বিষয়টি সুরাহা করুক। সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত আমার অনশন চলবে।
এ ঘটনায় মাইনীমুখ ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য আজগর আলী জানান, আমি এলাকার বাইরে আছি। আমি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে উভয় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, বর্তমানে ছেলের পরিবারে তার বৃদ্ধ দাদী ও এক প্রতিবন্ধী চাচা ছাড়া সেই বাড়িতে আর কেউ নেই।
