Homeটাঙ্গাইল জেলামির্জাপুরমির্জাপুরে হাটুভাঙ্গা টোলপ্লাজায় হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

মির্জাপুরে হাটুভাঙ্গা টোলপ্লাজায় হামলার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

হাজার টাকার নোটের ভাংতি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ, আহত ৩ টোলকর্মী; মামলায় একজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে হাটুভাঙ্গা সেতুর টোলপ্লাজায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় টোল আদায়ের তিন কর্মচারীকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় হৃদয় খান ওরফে সেকেন্দার (২৪) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার হাটুভাঙ্গা সেতুর টোলপ্লাজায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার হৃদয় খান উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের কাবেল মিয়ার ছেলে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি ট্রাক হাটুভাঙ্গা সেতু পার হওয়ার সময় চালক টোল পরিশোধের জন্য এক হাজার টাকার নোট দেন। ওই নোটের ভাংতি দিতে কিছুটা দেরি হওয়ায় চালক ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাকটি সড়কের ওপর দাঁড় করিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় টোল আদায়ের কর্মচারীরা ট্রাকটি সরিয়ে নিতে বললে চালক ও হেলপার তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে ওই চালক আরও কয়েকজনকে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে এসে টোল আদায়ের কর্মচারীদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় টোলের ইজারাদার মাসুদুর রহমানের স্ত্রীর বোন হামলা থামাতে এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় টোলের ইজারাদার মাসুদুর রহমানের স্ত্রী মোছা. ফারহানা বেগম বাদী হয়ে শনিবার রাতে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় দুজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামি লাভলু ওরফে লখাই দাবি করেন, তাঁর ট্রাকের চালক টোল দিতে এক হাজার টাকার নোট দিলে টোলপ্লাজার কর্মীরা ৯০০ টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো চালক ও হেলপারকে মারধর করেন। এ সময় ট্রাকের গ্লাসও ভাঙচুর করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলেও দাবি করেন তিনি।

হাটুভাঙ্গা টোলের ইজারাদার মাসুদুর রহমান বলেন, একটি কুচক্রী মহল হাটুভাঙ্গা সেতুর টোল আদায় বন্ধ করতে নানা ধরনের পাঁয়তারা করছে। হামলার ঘটনাটি পরিকল্পিত বলেও দাবি করেন তিনি। ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান তিনি।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাশেদ ফজল বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে মামলার এক আসামি হৃদয় খান ওরফে সেকেন্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

RELATED ARTICLES

Most Popular