শেরপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও টেকনিশিয়ানের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। এই চিকিৎসক কোভিড-১৯ রোগীদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন। আর টেকনিশিয়ান সন্দেহভাজন কোভিড-১৯ আক্রান্তদের নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন।
জেলার সিভিল সার্জন একেএম আনোয়ারুর রউফ জানান, ধারণা করা হচ্ছে তাদের এই দুই স্বাস্থ্যকর্মী কোভিড-১৯ রোগীদের সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হয়েছেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় এই দুইজনের পজেটিভ আসে।
রোববার রাতে পরীক্ষা প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে শেরপুরে মোট ২৬ জনের কোভিড-১৯ শনাক্ত হল বলে জানান সিভিল সার্জন।
তিনি বলেন, তাদের মধ্যে পাঁচজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বাকি ২১ জনের মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আর ১৮ জন শেরপুরে চিকিৎসাধীন আছেন।
এদিকে শেরপুর সদর হাসপাতালে ডাক্তার ও টেকনিশিয়ান আক্রান্ত হওয়ায় জরুরি বিভাগ ছাড়া বাকি সব কার্যক্রম বন্ধ করে হাসপাতাল জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু করা হযেছে।
সিভিল সার্জন বলেন, জীবাণুমুক্ত করার পর হাসপাতালটি আবার চালু করা হবে। ওই ডাক্তার ও টেকনিশিয়ানের সংস্পর্শে এসেছেন এমন ২২ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
