এম সাইফুল ইসলাম শাফলু : টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ১০ জনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। রোববার পৃথকভাবে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির নেতৃত্বে ৫ জনের নামের তালিকা প্রস্তাবনা করা হয়। অপর দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে অপর ৫ জনের নামের তালিকা প্রস্তাবনা করা হয়। রোববার দুপুরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল খালেক মাস্টারের সভাপতিত্বে তৈলধারা বাজারে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভায় ৫ জনের নামের প্রস্তাবনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রস্তাবনার সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন-বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য রফিকুল ইসলাম রফিক, জেলা কৃষকলীগের প্রচার সম্পাদক সৈয়দ আবদুল মালেক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি নাজমুল হুদা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি তুলা তালুকদারের ছেলে মাসুদ তালুকদার।
অপর দিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের বিএসসি নেতৃত্বে মহানন্দপুর বিজয় স্মৃতি স্কুল প্রাঙ্গণে বর্ধিত সভায় ৫ জনের নামের প্রস্তাবনা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রস্তাবনার সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগ নেতা মো. দুলাল হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম শফি ও ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল খালেক মাস্টার ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের বিএসসি বলেন, আগামী ১১ নভেম্বর ২য় ধাপে এ ইউনিয়নে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জীবন বৃত্তান্ত পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। তারা দাবি করেন, তাদের পৃথক দুটি বর্ধিত সভায় সবকটি ওয়ার্ড় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ডিএম শরিফুল ইসলাম শফি বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাকে কাকড়াজান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এদিন কাকড়াজান আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যথারীতি উপস্থিত হন। এতে তিনি ওই ইউনিয়নের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের পৃথকভাবে দুটি বর্ধিত সভার অবস্থান জানেন। তিনি পাল্টপাল্টি বর্ধিত সভাকে একীভূত করার আহবান করেন। কিন্তু এতে সভাপতি ও সম্পাদক পক্ষের তেমন আগ্রহ না পেয়ে দুটি বর্ধিত সভার একটিতেও উপস্থিত ছিলেন না। এছাড়াও বর্ধিত সভার রেজুলেশনেও সাক্ষর করেননি। পরে ফিরে এসে বিষয়টি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা অবগত করেছেন বলেও জানান তিনি
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।