যুদ্ধ বিধ্বস্ত আফগানিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য লড়ছে। ক্রিকেট দেশটির জনগণের একমাত্র বিনোদনের উপলক্ষ। মোহাম্মদ নবী-রশিদ খানরা যখন নিজের দেশে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই কাবুলের স্টেডিয়ামে বোমা হামলার ঘটনা ঘটল।
মাঠে তখন চলছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ। হঠাৎ কেঁপে উঠল গোটা স্টেডিয়াম। আত্মঘাতী হামলায় ঘটল ব্যাপক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল কাবুলে (Kabul Explosion)।
জানা গেছে, এই ঘটনায় আহত হয়েছেন বহু মানুষ। আফাগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (Afganistan Cricket Board) তরফে জানানো হয়েছে, এদিন কাবুলের মূল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একটি ঘরোয়া লিগের ম্যাচ চলছিল। সেই ম্যাচ চলাকালীনই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বিস্ফোরণের পরেই ক্রিকেটারদের একটি নিরাপদ বাঙ্কারের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।
শুক্রবার (২৯ জুলাই) কাবুল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পেশাদার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ শাপাগিজার ম্যাচ চলছিল। ম্যাচে লড়ছিল বন্দ-ই-আমির ড্রাগনস ও পামির জালমি। খেলাটি দেখতে স্টেডিয়ামে জড়ো হয়েছিলেন জাতিসংঘের প্রতিনিধিরাও।
ঠিক এমন সময় বোমা বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে স্টেডিয়ামের গ্যালারি। বোমার শব্দে এদিক ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন দর্শকরা। তবে দ্রুতই খেলোয়াড়দের সরিয়ে নেয়া হয় নিরাপদ স্থানে। বোমা বিস্ফোরণে ৪ জন দর্শক আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
আফগানিস্তানের ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী নাসিব খান এ বিষয়ে বলেছেন, ‘শাপাগিজা লিগের ম্যাচ চলছিল। ম্যাচটি দেখতে এসেছিলেন জাতিসংঘের প্রতিনিধিরাও। এমন সময়ে গ্যালারিতে একটি বোমা বিস্ফোরিত হলে চারজন সাধারণ দর্শক আহত হন।’
২০১৩ সালে শুরু হও আফগানিস্তানের পেশাদার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ শাপাগিজায় এখন আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি খেলে। এই লিগটিতে জাতীয় দল, ‘এ’ দল ও হাই-পারফরম্যান্স দলের খেলোয়াড়রা ছাড়াও খেলে থাকেন বিদেশি ক্রিকেটাররাও।
এই আত্মঘাতী হামলার পেছনে কে বা কারা জড়িত তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনায় আতঙ্কের রেশ গোটা শহরে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।