এমন অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, বিষয়টি ইতিমধ্যে তারেক রহমানকে অবহিত করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিলো বিএনপির সৎ ও ত্যাগী নেতাদের নমিনেশন দিয়ে বিজয়ী করা। কিন্তু খন্দকার মোশাররফের মতো সিনিয়র নেতারা যদি টাকা খেয়ে অসৎ ব্যক্তিদের নমিনেশন দিতে বাধ্য করেন, এটা সমগ্র বিএনপির জন্য লজ্জাজনক।
তবে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে সঙ্গে মির্জা ফখরুলও নমিনেশন প্রদানের টাকা খেয়েছেন বলে দাবি করে স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বলেন, খন্দকার মোশাররফ ভাই নমিনেশনের টাকা খেলেও তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন মির্জা ফখরুল। কারণ বিএনপির মূল দুই নেতা বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে নির্বাচনী মনোনয়ন ফরমে স্বাক্ষর করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বোঝাই যাচ্ছে টাকার লোভেই তিনি এ স্বাক্ষর করেছেন।
এছাড়া, এবার যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের নমিনেশন দেয়ায় নিজ দলের নেতাকর্মীদের কাছেও চরমভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল। শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর অনুপস্থিতিতে পিরোজপুর-১ আসন থেকে তারই মেজপুত্র শামীম সাঈদীকে নির্বাচনে সমর্থন দেয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত হয়েছেন তিনি।
এ সমস্ত বিষয় ইতিমধ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জানানো হয়েছে বলে দাবি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, মির্জা ফখরুল ও ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এসব আচরণে আমরা রীতিমত বিব্রত। এসব নেতাদের মনোনয়ন বাণিজ্যের বিষয়ে তারেক রহমান অবগত আছেন। তিনি আমাকে নির্বাচনে জয়ী হবার পর এসব নেতাদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
