এলাকাবাসী ও ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, সরকার করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার বন্ধ রেখেছে। কিন্তু নিয়ম না মেনে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের বাসায় তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোচিং করাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রধান শিক্ষক হোসনে আরার বাসায় হাজির হন। সেখানে তিনি দেখেন, একটি কক্ষে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের বসিয়ে কোচিং করানো হচ্ছে। শিক্ষক ও অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মুখে মাস্ক ছিল না। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেন।
বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক হোসনে আরাকে এই পরিস্থিতিতে কোচিং না করানোর অনুরোধ করেছিলাম। জরিমানা করার বিষয়টি আমাদের জন্য দুর্নামের।’
প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা বলেন, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে আমি বিল্ডিং করেছি। বেতন যা পাই, ঋণের টাকা পরিশোধ করতেই চলে যায়। এ জন্য কয়েকজনকে প্রাইভেট পড়াচ্ছি।’
সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘সরকারি নিয়ম না মেনে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছিলেন। এ জন্য তাঁকে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোচিং করানো বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
