নিজস্ব প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলে মসজিদে নামাজ আদায়ে মানা হচ্ছেনা সরকারি নির্দেশনা। নির্দেশনা অমান্য করেই জেলার অধিকাংশ মসজিদেই পাঁচজনের অধিক মুসুল্লিদের নিয়ে নামাজ আদায় করছে। এ নির্দেশনা ভঙ্গ করে খোদ জেলা-উপজেলা কমপাউন্ডে থাকা প্রায় মসজিদগুলিতে নামায আদায় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে ভূঞাপুরে ইউএনও অফিসের সামনে উপজেলা পরিষদ মসজিদে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দলে দলে মুসুল্লীরা মসজিদে নামায আদায় করছে।
এছাড়া ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদসহ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে একই চিত্র দেখা গেছে। এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় মুসুল্লীদের মসজিদের ভিতরে জমায়েত না হয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে নামাজ আদায়ের নির্দেশে ও মসজিদ চালু রাখতে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজে শুধুমাত্র ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেমসহ ৫জন এবং জুমআর জামায়াতে অনধিক ১০জন শরিক হতে পারবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তবে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের এমন নির্দেশ মানা হচ্ছে না মসজিদগুলোতে।
এবিষয়ে উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার আনিছুর রহমান বলেন, উপজেলার প্রত্যেক মসজিদের ইমামদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে। যদি মসজিদে ৫জনের বেশি মুুসুল্লী নামাজ আদায় করতে যায় তাহলে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় থেকে যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সেগুলোর চিঠি জেলা-উপজেলায় পাঠানো হয়েছে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এছাড়া এলাকাজুড়ে জনসাধারনকে সচেতন করতে মাইকিং করা হচ্ছে।
প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী এবিষয়ে সচেতনতার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরপরও যদি কোন মসজিদে জমায়েত হয়ে নামাজ আদায় করা হয় তাহলে ওই মসজিদের সভাপতির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
