মঙ্গলবার, জুন ৩০, ২০২৬
Homeদেশের খবরঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুর্দশা দেখার কেউ নেই

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুর্দশা দেখার কেউ নেই

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ব্যস্ততম ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুর্দশা দেখার যেন কেউ নেই। যে মহসড়কে স্বস্তিতে যানবাহন চলাচলের কথা সেখানে বিড়ম্বনা নিয়ে চলাচল করতে হয় যানবাহন। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান ও সার্ভিস লাইনের বেশিরভাগ অংশ দখল, চাঁদাবাজি, মহাসড়কের উপর বাজার, ও যানবাহণের স্টেশন বানিয়ে রাখা হয়েছে। এর কারণে সড়কে যানবাহন চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।

প্রতিনিয়ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চোখের সামনে এসব চললেও কোন জোড়াল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। অভিযোগ রয়েছে ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙিয়ে কিছু নেতার ছত্রছায়ায় মহাসড়কে এমন কর্মকাণ্ড চলছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার মৌচাক, দোকানপাড়, সফিপুর, একাডেমি গেট, পল্লীবিদ্যুৎ, হরিনহাটি, এপেক্স গেইট, চন্দ্রা ত্রীমোড়, বোর্ডঘরসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় দশটিরও বেশি ভাসমান বাজার বসে মহাসড়কে। স্থানীয় প্রভাবশীল নেতাদের নিয়ন্ত্রণে চলে এসব বাজার।

এদিকে মহাসড়কের পল্লিবিদ্যুৎ এলাকা থেকে শুরু করে সূত্রাপুর বোর্ডঘর পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের সার্ভিস লাইনের প্রায় পুরোটাই বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাস, ট্রাক, অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, সিএনজির স্টেশন ও গ্যারেজের মালিকদের দখলে রয়েছে। যার ফলে এসব স্থানে চলাচলরত ছোট যানবাহনগুলো সার্ভিস লাইন ব্যবহার করতে না পেরে বাধ্য হয়েই মহাসড়কের প্রধান লাইনে এবং উল্টো পথে চলাচল করছে।

এতে হরহামেশাই ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। ছোট যানবাহনের চালকরা অভিযোগ করে বলেন, মহাসড়কে দ্রুত গতির গাড়ি চলে। ছোট যানবাহনগুলো নিরাপদে চলাচলের জন্য দুই পাশের সার্ভিস লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা এই সার্ভিস লাইনে গাড়ি চালাতে পারিনা। কোথাও বাস রাখে কোথাও ট্রাক রাখে আবার কোথাও সড়কের ওপরেই বসছে বাজার। তাই আমরা রিস্ক নিয়ে মহাসড়কে চলি।

এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল কাদের জিলানী মুঠোফোনে  জানান, মহাসড়কে কোথায় কোথায় এমন কর্মকাণ্ড চলছে আমরা বিষয়গুলো তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular