ইসমাইল হোসেন,সরিষাবাড়ী(জামালপুর)প্রতিনিধিঃ জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে হামলা, আহত ২ বলে অভিযোগ উঠেছে। উক্ত ঘটনাটি ঘটেছে সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চর টাকুরিয়া গ্রামের মৃত আঃ করিম সরকারের ছেলে আঃ রাজ্জাক ও তার পরিবারের সাথে।
জানা গেছে, চর টাকুরিয়া গ্রামের মৃত বাদল সরকারের ছেলে বাছেদ(৩৪) চাকুরী দেবার কথা বলে একই গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে সুজন (২৫) এর কাছ থেকে বিগত ১বছর পূর্বে সাড়ে ৫ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও বাছেদ সুজনকে চাকুরী নিয়ে দিতে না পারায় সুজন তার টাকা ফেরৎ চায় বাছেদের কাছে। কিন্তু বাছেদ টাকা ফেরৎ না দিয়ে উল্টো সুজনের উপর হামলা করে।
উক্ত বিষয়টি গ্রাম্যশালিসির মধ্যদিয়ে মীমাংসিত হলেও বাছেদের চাচাতো ভাই রাসেল(৩৫) বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেন না। বরং ভাইয়ের আপমানিত হওয়ার জেদ মনের মধ্যে পুষে রেখে সুজনকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেন নেপথ্যে। তাই গত ১০ মে রোববার বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৪ টার দিকে সুজনকে ফুসলিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন হত্যার উদ্দেশ্যে কিন্তু সুজন রাসেলের উদ্দেশ্য বুঝতে পেরে তার সাথে ধস্তাধস্তি করে আত্মরক্ষা করেন নিজেকে বলে জানা যায়।
এদিকে রাসেল সুজনকে মারতে না পেরে পুনরায় বাড়ীতে এসে সুজনের বাবা আঃ রাজ্জাককে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন। তখন তার ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন চলে আসলে রাসেল দৌড়ে পালিয়ে যায়। এদিকে এই নিয়ে ১৫ মে সকাল ১০ টার দিকে গ্রাম্য ভাবে শালিস বসলে রাসেল ও তার সমর্থিত লোকজন শালিসির রায়কে উপেক্ষা করে পূর্ব পরিকল্পিত দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অতর্কিত ভাবে হামলা চালায় সুজনের পক্ষের লোকজনের উপর। একপর্যায়ে সুজনের পক্ষের লোকজন আত্মরক্ষার্থে পাশের বাড়ী আতাহারের ঘরে আশ্রয় নিলে সেখানেই গিয়ে রাসেল গং দরজা ভেঙ্গে মারধর করেন বলে জানা গেছে।
আহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী হলেন, মৃত সিরাজ গার্নারের ছেলে বাবুল সরকার(৫০),নাছের উদ্দিন(৩৮),ভোলা মিয়া(৫৫), ও ভোলার ছেলে রাসেল মিয়া(৩৫),শিপন মিয়া(২৫), রুহুল আমিন ও (৩০), এবং বাবুল সরকারের ছেলে রাজন মিয়া(২৮) রিমন মিয়া(৩০) বলে জানা গেছে।উক্ত বিষয়টি নিয়ে সরিষাবাড়ী থানায় আঃ রাজ্জাক বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন বলে জানা যায়। এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু মোঃ ফজলুল করীমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমরা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
