ভিটামিন ডি এর অভাব বর্তমান বিশ্বের একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক সমস্যা । ভিটামিন ডি এর অন্যতম উৎস হচ্ছে সূর্যের আলো।
ভিটামিন ডিকে মূলত সানলাইট বা সূর্যের আলোর ভিটামিন বলা হয়। যখন আমাদের শরীর সূর্যের আলেরা সংস্পর্শে আসে তখন ভিটামিন ডি
তৈরি হয়।
ভিটামিন ডি পাওয়ার উপযুক্ত সময়: সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ভিটামিন ডি পাওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়। এটি অবশ্যই ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি না ।
ভিটামিন ডির উৎস মসূহ : বিভিন্ন খাদ্যে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যেমন সামুদ্রিক মাছ, মাংস,কুসুমসহ ডিম, মাসরুম, সেরিয়াল,ওটমিল, দুধ ও দুগ্ধজাতীয় খাবার,সয়া দুধ ইত্যাদি।
ক্যালসিয়ামের উৎস মসূহ: মাছ, মাংস ,দুধ ও দুধের তৈরী খাবার, পালন শাক, ওটমিল,ছোট কাটাযুক্ত মাছ ইত্যাদি।
অভাব জনিত রোগ: ভিটামিন ডির অভাব জনিত রোগ সমূহ– বড়দের রিকেট,ছোটদের অস্টিওপরোসিস,রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস,ঠান্ডা-কাঁশি, বিষণ্ণতা,্এলজাইমার্স ডিজিজ, স্বরণশক্তি কমেযাওয়া ,ইনফ্লামেটরিবাউয়েল ডিজিজ, ক্যান্সার, ডায়বেটিস, স্থুলতা ইত্যাদি।
প্রতিরোধ: ভিটামিন ডির চাহিদা পূরণ করতে শুধু সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসা ও ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খেলেই চলবেনা। ভিটামিন ডি যুক্ত খাবারের
পাশাপাশি ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে হবে। তবে উপরোক্ত রোগসমূহ থেকে আমরা মুক্ত থাকতে পারব।
নোট: বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থ্যার মতে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণে প্রতিদিন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের ৫০০ আই ইউ ভিটামিন ডি এবং ৬০০ আই ইউ ক্যালসিয়াম খেতে হবে। পাশাপাশি ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে হবে।
ডা.রুনালায়লা
এম বিবিএস,এমপি এইচ, পিজিটি- গাইনী ও অবস্
সিসিডি-বাডেম , ডিএমইউ- ইউ,এস,জি
ম্যানেজার, ব্র্যাক এইচ আর ও লার্নিং ডিভিশন
স্বাস্থ্য,পুষ্টি ও জনসংখ্যা কর্মসূচি।
