নিউজ ডেস্ক: দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে স্ত্রীকে হত্যা করে শ্যালিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। পরে তাদের দু’জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গ্রেফতার দু’জনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পূর্ব-রামচন্দ্রপুর তালেরডাঙ্গা গ্রাম থেকে দুলাভাই ও শ্যালিকাকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম ফরহাদ হোসেন (৪০)। তিনি তালেরডাঙ্গা গ্রামের বছির উদ্দিনের ছেলে। তার শ্যালিকা নবাবগঞ্জ উপজেলার চামুন্ডাই গ্রামের মন্টু মিয়ার মেয়ে সোহাগা বেগম (১৭)।
সোহাগা বেগমের বাবা মন্টু মিয়া জানান, ১৫ বছর আগে তার বড় মেয়ে রোকসানা বেগমের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ফরহাদের। তাদের সংসারে নয় বছর ও সাত বছর বয়সী দুটি মেয়ে রয়েছে। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর মধ্য রাতে রোকসানা বেগমকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে ফুলবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ করা হয়। পরদিন ১ জানুয়ারি রোকসানার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
পরে পুলিশ তদন্তের কাজ শুরু করে। এরপর থেকে গা ঢাকা দেন ফরহাদ। এর মধ্যে চলতি মাসের ২০ জানুয়ারি রোকসানার ছোট বোন সোহাগাকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। এ ঘটনায় ২১ জানুয়ারি ফুলবাড়ী থানায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ফরহাদের নামে একটি অভিযোগ করেন মন্টু মিয়া। অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে সোমবার রাতে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) এসরাকুল বলেন, শ্যালিকার সঙ্গে পরকীয়ার কারণে স্ত্রী রোকসানাকে হত্যার কথা ফরহাদ পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফুলবাড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাসিম হাবিব বলেন, গ্রেফতার ফরহাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।