খামারি কাশেম বলেন, গরুর ফিড খাবার খাওয়ানোর সাধ্য আমার নেই। তাই নাগরপুর উপজেলার প্রাণিসম্পদ দফতরের পশুচিকিৎসক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি বলেন, গরুর ওজন এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রাকৃতিক (ব্যালেন্সড) সুষম খাবার খাওয়ালে অর্থ ও ঝুঁকি দুটোই কমবে এবং নিরাপদ মাংস উৎপাদন হবে। খোকা বাবুর খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, খড়, ভূষি, ভুট্টা ভাঙা, সরিষার খৈল, নালি, চালের কুড়া, লবণ ও পরিমাণ মতো পানি রাখা হয়।
খোকা বাবুকে নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার ঘরে রাখা, ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত হাঁটানো, রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেয়া ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানোসহ সবকিছুই করা হয়েছে চিকিৎসকের পরামর্শে। খোকা বাবুকে মোটাতাজা করতে কোনো ওষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি বলেও জানান তিনি।
খোকা বাবুর দাম নিয়ে খামারি কাশেম বলেন, বাজার অনুযায়ী বিক্রি করতে হবে। বাজার ক্রেতা ও গরুর সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল। তবে আমি খোকা বাবুর দাম চাচ্ছি ১২ লাখ টাকা।
আগামী ঈদেও তিনি এমন গরু নাগরপুরবাসীকে উপহার দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, যদি পরিশ্রমের সঠিক মূল্য পাই তাহলে অবশ্যই চেষ্টা করব আরো ভালো মানের গরু সরবরাহ করার।
এ প্রসঙ্গে নাগরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আশিক সালেহীন বলেন, গরুটি সম্পূর্ণ দেশি খাবার খাইয়ে লালন পালন করা হয়েছে। গরুটি ফ্রিজিয়ান জাতের। এ জাতের গরু আমাদের দেশে এখন খামারিরা পালন করছেন। আমার জানা মতে নাগরপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় গরু এই খোকা বাবু।
