চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থেকে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় তার মরহদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত যুবকের নাম মো. সুমন আলী (২৬)। তিনি গোমস্তাপুর উপজেলার নিমতলা গ্রামের মো. আবুল কালাম আজাদ রেন্টুর ছেলে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত সুমন আলী সরকারি চাকরি পেতে একই গ্রামের মৃত মহসিনের ছেলে মো. সানাউল্লাহর মাধ্যমে ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেয়। চাকরি না হওয়া এবং সেই টাকা ফেরত না পাওয়ায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে শুক্রবার রাতে বাড়ির পাশের আমবাগানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে গোমস্তাপুর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।
নিহত সুমনের চাচাত ভাই আনসার আলী জানান, তার হতদরিদ্র দিনমজুর চাচা ছেলের চাকরি জন্য গত চার মাস আগে এনজিও থেকে লোন এবং ধারদেনা করে দালালকে টাকা দিয়েছিল। দালাল তাকে ভুয়া নিয়োগপত্রও দিয়েছিল। কিন্তু যোগদান করতে গিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্রের বিষয়টি প্রকাশ পায়। এ নিয়ে চরম হতাশাগ্রস্ত ছিল সে। তিন ভাইবোনের মধ্যে সুমন সবার বড় ছিল।
এ ঘটনার পর নিহতের বাবা আবুল কালাম বাদী হয়ে সানাউল্লাহকে প্রধান আসামি করে তিনজনের বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় একটি প্রতারণা ও আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা দায়রে করেছেন। মামলার পর পুলিশ শনিবার প্রধান আসামি সানাউল্লাহকে গ্রেফতার করে।
গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলিপ কুমার দাস জানান, ঘটনায় নিহতের বাবা একটি প্রতারণা ও আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা করেছেন। এতে অভিযুক্ত প্রধান আসামী মো. সানাউল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
