বেশিরভাগ সময় দল থেকে বাদ পড়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করতে ফিরতে হয়েছে ইমরুলকে। শেষবার তেমন কিছু না করেই ফিরেছিলেন দলে। অন্যদের ব্যর্থতা আর তামিম ইকবালের চোটে হঠাৎ করে এশিয়া কাপের মাঝপথে ডাক পান তিনি।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ছয় নম্বরে নেমে খেলেন অপরাজিত ৭২ রানের দারুণ এক ইনিংস। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে কখনও টানা তিন ম্যাচে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলতে না পারা ইমরুলকে অন্য চেহারায় দেখা গেল জিম্বাবুয়ে সিরিজে। তিন ম্যাচে দুটি সেঞ্চুরির সঙ্গে উপহার দিলেন একটি ৯০ রানের ইনিংস।
এশিয়া কাপে হুট করেই ডাক পড়েছিল ইমরুল এবং সৌম্যার। নতুন করে ফেরার পালা শুরু একসঙ্গেই। সময় আর পরিস্থিতি ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকারকে মিলিয়েছিল এক বিন্দুতে। সেই তারাই এবার মিলে গড়লেন রেকর্ড এক জুটি। এমন জুটির জন্য ম্যাচ শেষে ইমরুল সতীর্থ সৌম্যকেই ভাসিয়েছেন প্রংশয়ায়।
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশনে দ্বিতীয় উইকেটে ২২০ রানের জুটি গড়েন ইমরুল-সৌম্য। ওয়ানডেতে দ্বিতীয় উইকেটে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। ঘরের মাঠে যেকোনো উইকেট জুটিতেও এটিই সেরা।
এই জুটি প্রসঙ্গে সৌম্যকে নিয়ে ইমরুল বলেন, ‘সৌম্য ঘরোয়া পর্যায়ে থেকে ভালো করছে। ও এখন আত্মবিশ্বাসী। ওর মতো খেলোয়াড় যেদিন খেলবে, আমি বিশ্বাস করি সেদিন ‘ওয়ান ম্যান শো’ হয়ে যাবে। একাই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য ওর আছে। আমি মনে করি, ও এই যে ক্যাম ব্যাক করছে, এটা ধরে রাখবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের জন্য তাহলে লাভ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সৌম্যের সঙ্গে যখন ব্যাটিং করি, তখন নিজের কাছে খুব ভালো লাগে। কারণ, ওর সঙ্গে ব্যাটিং করলে চাপ থাকে না। ও অনেক স্ট্রোক খেলে। যার জন্য আমি এক পাশ থেকে যদি রান নাও করতে পারি এরপরও দেখা যায় ও আরেক পাশ থেকে সেটা পুষিয়ে দেয়।’
