করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে মির্জাপুর থানা পুলিশ। করোনা থেকে এলাকা সুরক্ষিত রাখতে মহাসড়কসহ ঢাকার সাথে সকল সংযোগ সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে বলে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন।
সারাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মির্জাপুরে একজনসহ টাঙ্গাইল জেলায় এ পর্যন্ত সাতজন করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্ক ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ এবং স্বাস্থ্য বিভাগ সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
মির্জাপুর থানা পুলিশ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও মির্জাপুর-উয়ার্শী-বালিয়া আঞ্চলিক সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে নিয়মিত টহল দিয়ে যাচ্ছে। মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সায়েদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ প্রতিদিন মহাসড়কের গোড়াই, সদরের পোষ্টকামুরী ও আঞ্চলিক সড়কের ওয়ার্শী ব্রীজে চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ি চেক করছেন। ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন করোনা সংক্রমণ এলাকা থেকে মির্জাপুর এবং টাঙ্গাইল হয়ে মির্জাপুরের ওপর দিয়ে যাতে অন্যত্র প্রবেশ করতে না করতে পারে সেজন্য এই চেকপোস্ট বসানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জের পলি ক্লিনিকের সিনিয়র ওটি বয় করোনা উপসর্গ নিয়ে মির্জাপুরের বৈরাগী ভাওরা গ্রামের বাড়িতে আসেন। ৬ এপ্রিল তার নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠায় স্বাস্থ্য বিভাগ। ৭ এপ্রিল তার করোনা পজেটিভ আসে। রাতেই প্রশাসন তাকে ঢাকার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে পাঠায় এবং ওই গ্রামের ৩৫টি বাড়ি লকডাউন করে।
এছাড়া করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে বিভিন্নভাবে প্রচারণাসহ উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগ দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান জানান, দেশের মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পুলিশ বাহিনী সব সময় ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে থাকেন। মরণঘাতি করোনা ভাইরাস থেকেও সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পুলিশ সদস্যরা কাজ করে চলেছেন। মির্জাপুর উপজেলাবাসীকে করোনা থেকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে তিনটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এছাড়া পুলিশ সদস্যরা নিয়মিত টহলে রয়েছেন বলে তিনি জানান।
