ফরমান শেখ: মহান আল্লাহ তা’লা ও প্রিয়নবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) এবং ইসলাম ধর্মকে নিয়ে সামাজিক গণমাধ্যম (ফেসবুক) মেসেঞ্জার গ্রুপে কটুক্তিমূলক ও বাজে মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে শ্রাবণ হালদার (২০) নামে এক হিন্দু যুবকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫ টায় দিকে গোবিন্দাসী বাজারে বিক্ষোভ ও ওই যবুকের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। শ্রাবণ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়ের খানুরবাড়ী গ্রামের শ্যামল হালদারের ছেলে। সে মিরপুর পুলিশ স্টাফ স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।
এদিকে, শ্রাবণকে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মুসুল্লিদের বিক্ষোভ পুলিশের লাঠিচার্জে কয়েকজন আহত হয়। এরপর উপজেলা প্রশাসনের আশ্বাসে মুসুল্লিরা বিক্ষোভ থেকে সরে দাঁড়ায়। এরআগে বিক্ষোভে মুসুল্লিরা কটুক্তিকারী যুবকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০ টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেয়।
এ ঘটনায় কুকাদাইর উত্তরপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং আল আরিশ মাদরাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা বেলাল হোসেনসহ স্থানীয়রা মুসুল্লিদের বিক্ষোভে মহান আল্লাহ ও প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) কটুক্তিকারী হিন্দু যুবককে আগামীকাল সকাল ১০ টার মধ্যে দ্রুত সময়ে গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- কালিহাতী পুলিশ সার্কেলের এএসপি রাসেল মুনির, ভূঞাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসলাম হোসাইন, ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাশিদুল ইসলাম, গোবিন্দ্সী ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু, সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম (আমিন), গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. দুলাল হোসেন চকদার প্রমুখসহ স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিরা।
এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন- আল্লাহ ও প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) কে স্থানীয় এক হিন্দু যুবক ফেসবুক (ফেন্ডস) মেসেঞ্জার গ্রুপে কটুক্তি করে। পরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মুসুল্লিরা উত্তেজিত হয়ে বিক্ষোভ করে। এ খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য হালকা লাঠিচার্জ করে। তিনি আরও বলেন-কটুক্তিকারী ওই যুবককে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়াও এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
জানা গেছে, সামাজিক গণমাধ্যম ফেসুবক মেসেঞ্জারে (ফেন্ডস) নামে একটি চ্যাট গ্রুপে গতকাল রোববার শ্রাবণ কটুক্তিমূলক ও বাজে মন্তব্য করেন। পরে আজ সোমবার সেই মন্তব্য সামাজিক গণমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে স্থানীয় মুসুল্লিরা বিক্ষোভ করেন।
