বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬
Homeখেলাধুলাইমরুল কায়েসের চার ছক্কার ঝড়ে বড় স্কোরে বাংলাদেশ

ইমরুল কায়েসের চার ছক্কার ঝড়ে বড় স্কোরে বাংলাদেশ

মাত্র ১০ রানের জন্য তামিম ইকবালের রেকর্ডে ভাগ বসনো হয় নি টাইগার ওপেনার ইমরুল কায়েসের। রোববার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

খেলেছেন ক্যারিয়ার সেরা এক ইনিংস। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহে ইমরুলের নাম এখন দ্বিতীয় স্থানে। ১৫৪ রান করে ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক তামিম।

মিরপুরে ইমরুলের এই হার না মানা ইনিংসের সুবাদে রানের পাহাড়ে বাংলাদেশ। শুরুতে জিম্বাবুইয়ান পেসাররা আধিপত্য দেখালেও শেষদিকে ইমরুল-সাইফুদ্দিনের ব্যাটিং তোপে বড় সংগ্রহ পায় মাশরাফীর দল। নির্ধারিত ওভার শেষে স্কোর বোর্ডে ২৭১ রান তুলেছে স্বাগতিকরা।

ইমরুল কায়েস বলে ১৪৪ রান করে আউট হয়েছেন। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির দেখা পেয়েছেন দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা সাইফুদ্দিন।

ইমরুল আউট হয়েছেন এক অসাধারণ ইনিংস খেলে। মাত্র ৬ রানের জন্য ১৫০ রানের মাইলফলক ছুতে পারলেন না এই বা হাতি। তার এই ইনিংসে ছিল ২০ টি বাউন্ডারি এবং ওভার বাউন্ডারি। ১৪ টি চারের মার আর ছয় মেরেছেন ৬টি। বল খেলেছেন ১৪০ টি।

অথচ আন্ডারডগ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৩৯ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে তখন ইমরুল একজন সঙ্গী খুঁজছিলেন। পেয়েও গেলেন একজন নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। তিনি সাইফউদ্দিন। দলকে টেনে নিয়ে যান প্রায় দুইশ’র কোটায়।

ইমরুলের বিদায়ের পর ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরির দেখা পাওয়া সাইফউদ্দিনও মাঠ ছাড়েন। ৬৯ বলে ৩টি চার ও এক ছক্কায় ঠিক ৫০ করে তিনি চাতারার তৃতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নমুখী হন। সপ্তম উইকেট জুটিতে এদিন সাইফউদ্দিনের সঙ্গে রেকর্ড ১২৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন ইমরুল।

এর আগে মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ১৬ রানের মাথায় বিদায় নেন ওপেনার লিটন দাস। এরপর ১ রান যোগ করতেই পড়ে আরো ১ উইকেট। এই যখন অবস্থা তখন শক্ত হাতে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম ও ইমরুল কায়েস।
তাদের ব্যাটে প্রাথমিক বিপরর্যয় কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করে টাইগাররা। কিছুটা সফলও হন তারা।

দলীয় ১৭ রানে দুই উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দলের স্কোর টেনে ৬৬ পর্যন্ত নিযে যান অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান। দলকে বড় স্কোরের স্বপ্নও দেখাচ্ছিলেন। হাত খুলে খেলছিলেন ইমরুল কায়েস। আর দেশেশুনে ব্যাট করছিলেন মুশফিক।

কিন্তু ১৪ ওভারের শেষ বলে মাভুতার বলে ক্যাচ দেন মুশফিক। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেন নি। কিন্তু জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়ক রিভিউ চেয়ে বসেন। পরে আম্পায়ার আঙ্গুল তুলে সারেন্ডার করেন।

মুশফিক আউট হওয়ার পর মাঠে নামে মিঠুন। মিঠুনের সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। মিঠুনের পর যারা মাঠে নামের তারা কেউই দাঁড়াতে পারেন নি।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular