নিজস্ব প্রতিনিধি: ঋণখেলাপীর অভিযোগে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রোববার (০২ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এ নিয়ে তিনবার তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়াও টাঙ্গাইল-১ আসনে বিএনপি’র মাহাবুব আনাম স্বপন ফকির, টাঙ্গাইল-৩ আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. চাঁন মিয়া ও বিএনএফ এর মো. আতাউর রহমান (বড় ভাই), টাঙ্গাইল-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বাকির আলী ও আবুল কাশেম, টাঙ্গাইল-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী নুর মোহাম্মদ খান ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মামুনুর রহমান, টাঙ্গাইল-৭ আসনে খেলাফত মজলিসের মজিবুর রহমান, টাঙ্গাইল-৮ আসনে খেলাফতে মজলিসের আব্দুল লতিফ ও জাতীয় পার্টির কাজী আশরাফ সিদ্দিকী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী শহীদুল ইসলামের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত ২৮ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলার ৮টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রাথীসহ ৮৩ টি মনোনয়নপত্র জমা দেন। মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, এ সরকার ক্ষমতায় থাকতে হয়তো আমাকে নির্বাচন করতে দেয়া হবে না। তবে নির্বাচন যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, জনগণ যাতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পায়, দেশে যাতে সু-শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সরকারের প্রতি এটাই আমার প্রত্যাশা।
তিনি বলেন, যদি আমার দেশপ্রেম সত্য হয়, আমি সারাজীবন আল্লাহ ও রাসুলের ওপর যে বিশ্বাস করে এসেছি, সে বিশ্বাস যদি বিন্দু মাত্র সত্য হয় তা হলে ১৯ থেকে ২০টির বেশি সিট পাবে না বর্তমান সরকার।
তিনি আরও বলেন, আমি যাচাই-বাছাই দীর্ঘ সময় দেখেছি, আমার কাছে ভালো লেগেছে। আমার মনে হয় রির্টানিং অফিসার হিসেবে তিনি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবেন, সরকারের পা চাটা হবে না। এসময় কাদের সিদ্দিকীর সাথে জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
