সোমবার, জুন ২২, ২০২৬
Homeটাঙ্গাইল জেলাটাঙ্গাইলে গ্রামের সবাই ‘শবনম’ নামে চিনতেন ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমাকে

টাঙ্গাইলে গ্রামের সবাই ‘শবনম’ নামে চিনতেন ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমাকে

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্কঃ বর্তমানে সারাদেশে আলোচিত এক নাম তামিমা সুলতানা তাম্মি। ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সঙ্গে বিয়ের পর তাকে নিজের স্ত্রী দাবি করেছেন রাকিব নামে এক যুবক। এ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। তবে সারা দেশে তিনি তামিমা নামে পরিচিত হলেও নিজ গ্রামের লোকজন তাকে চেনেন শবনম নামে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তামিমার বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া গ্রামে। ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণে লোকেরপাড়া গ্রামের অবস্থান। সেখানে গিয়ে দেখা মিলে তামিমার চাচা জাহিদুর রহমান বিপ্লবের। কথা হয় তার সঙ্গে।

তিনি জানান, তারা চার ভাই। তামিমার বাবা সহিদুর রহমান স্বপন সবার বড়। তিনি ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। মা সুমী আক্তার। এলাকাবাসী তামিমাকে চেনেন শবনম নামে।

বিপ্লব বলেন, গ্রামে তামিমার খুব একটা আসা-যাওয়া নেই। বছর দুয়েক আগে একবার এসেছিল। তবে ওর বাবা আসেন। তামিমা বড় হয়েছেন টাঙ্গাইল শহরে। টাঙ্গাইল বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও কুমুদিনী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। একই কলেজে ভূগোল বিষয়ে অনার্সে অধ্যয়নরত তিনি। সম্রাট (২৫) ও অভি (১৭) নামে তার ছোট দুই ভাই রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রাকিব তামিমার প্রেমের বিয়ে শুরুতে ওর মা বাবা মেনে না নিলেও পরে মেনে নেন।

ডির্ভোসের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা জানি পারিবারিকভাবেই তামিমা রাকিবকে তালাক দিয়েছে। পরে নাসিরকে বিয়ে করেছে।

অন্যদিকে, নাসির-তামিমার বিয়ে নিয়ে এতো কিছু হয়ে গেলেও এখনো তেমন কিছুই জানেন না তার নিজ গ্রামের মানুষ।

এদিকে তামিমা তার পাসপোর্টে ঠিকানা দিয়েছেন গ্রাম লোকেরপাড়া, পোস্ট অফিস সিঙ্গুরিয়া টাঙ্গাইল সদর। প্রকৃতপক্ষে এই ঠিকানার কোনো অস্তিত্ব নেই টাঙ্গাইল সদরে। ওই ঠিকানাটি ঘাটাইল উপজেলায়।

পাসপোর্ট ও ডিভোর্স কাগজে ভুল ঠিকানা ব্যবহারের বিষয়ে মোবাইল ফোনে তামিমার বাবা সহিদুর রহমান স্বপন বলেন, যখন তামিমার এয়ারলাইনসে চকরি হয় তখন জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট করতে হয়েছে। সে সময় হয়তো ভুল হয়ে থাকতে পারে।

তামিমার ভাই সম্রাট বলেন, ২০১৬ সালে রাকিবকে তামিমা তালাক দিয়েছেন এবং পাসপোর্টটা রি-ইস্যু করা হয়েছে ২০১৮ সালে। তালাকের প্রমাণপত্রও রয়েছে আমাদের কাছে। তারপরও তাকে হেনস্তা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, তামিমা সুলতানা ঢাকা থেকে পাসপোর্ট গ্রহণ করেছেন। পাসপোর্টটি ইস্যু হয়েছে ডেপুটি ডিরেক্টর নাদিরা আক্তারের স্বাক্ষরে।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

RELATED ARTICLES

Most Popular