নিজস্ব প্রতিনিধি: টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোজাম্মেল হককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সাথে জাতীয় পার্টির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ ও পদবি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছেও তাকে। এ বহিষ্কারাদেশের মাত্র পাঁচদিন আগেই তিনি পদোন্নতি পেয়ে জাতীয়পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছিলেন। এছাড়াও টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনে জাতীয়পার্টির এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীও ছিলেন আলহাজ্ব মো. মোজাম্মেল হক।
বুধবার জাতীয় পার্টি দপ্তর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সাংগঠনিক নির্দেশ অমান্য করায় আলহাজ্ব মো. মোজাম্মেল হককে জাপার প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পদ ও পদবি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে ও পার্টির চেয়ারম্যান দলের গঠনতন্ত্রের ক্ষমতাবলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানানো হলেও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্বাক্ষরিত তার অব্যাহতিপত্রে শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। জাতীয় পার্টির প্যাডে পাঠানো ওই অব্যাহতির চিঠিতেও কোনো তারিখ উল্লেখ নেই।
তবে এ বহিষ্কারের খবরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন মোজাম্মেল হক। বৃহস্পতিবার এ বহিষ্কারাদেশের তথ্য নিশ্চিত করাসহ তিনি আবেগাল্পুত হয়ে বলেন, টাঙ্গাইল শহরে জাপার বাতি জ্বালানোর কোন লোক ছিল না। সেখানে আমি খেয়ে না খেয়ে ওই দলের হাল ধরেছি। দীর্ঘ ২৮ বছর যাবৎ অলিগলি ঘুরে দলকে শক্তিশালী করেছি। দলের চেয়ারম্যন মাত্র ২ বছর আগেই ডেকে নিয়ে বললেন, তুমি নির্বাচন করবে টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনে। তারপর থেকে রাত-দিন কাজ করে দলকে শক্তিশালী করেছি। গত চার বছর টানা টাঙ্গাইল জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। পরবর্তীতে মাত্র পাঁচদিন আগেই পদোন্নতি দিয়ে আমাকে জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদকও করা হয়। তবে কেন এ পদোন্নতির মাত্র পাঁচ দিন পরই আমার কোনো পদ নেই। তাহলে কি এটা আমার দীর্ঘ ২৮ বছরের ত্যাগ তীতিক্ষার প্রতিদান।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।