চুয়াডাঙ্গায় মাদ্রাসার ছাত্রী দুই বান্ধবীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে। তুলে নিয়ে ধর্ষণের শিকার ওই দুই বান্ধবীকে আবার বাড়িতে রেখেও যায় অভিযুক্তরা।
দুই বান্ধবী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পালাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগে জানা যায়, রোববার (৭ নভেম্বর) রাতে ওই দুই ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আলমডাঙ্গা ওসমানপুর-হারদি গ্রামের কানাপুকুর পাড়ের মাঠে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের শিকার দুই বান্ধবী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী। দুই বান্ধবীর মধ্যে একজনের সাথে পার্শ্ববর্তী ওসমানপুর গ্রামের ইয়াকিন আলির ছেলে আশিক ও একই গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে নিশানের সাথে অন্য জনের ৪ মাস আগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
রোববার রাতে নিশান (১৫) তার প্রেমিকাকে মোবাইলে ফোনে কল করে ধর্ষণের শিকার অন্য বান্ধবীকে সাথে নিয়ে বাড়ির বাইরে আসতে বলে। দুই বান্ধবী বাড়ির বাইরে আসলে নিশান মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে ওসমানপুর-হারদি গ্রামের কানাপুকুর পাড়ের মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করছিল আশিক।
দুই বন্ধু আশিক ও নিশান দুই বান্ধবীকে বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত বেশ কয়েক বার ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে গভীর রাতে নিশান দুই বান্ধবীকে মোটরসাইকেল যোগে তাদের বাড়ির সামনে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আশিক ও নিশান ওসমানপুর এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্র। ঘটনার পর থেকে তারা পালাতক রয়েছে।
বিষয়টি দুই মাদ্রাসা ছাত্রী তাদের পরিবারকে জানায়। এ ঘটনায় সোমবার রাতে আলমডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, দুই মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুই মাদ্রাসা ছাত্রী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। অভিযুক্তদের আটকে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
