এম সাইফুল ইসলাম শাফলু : টাঙ্গাইলের সখীপুরে ভূয়াইদ টেকনিক্যাল ইন্সিটিউট এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ মেহেদী হাসান জুয়েলের উপর হামলা ও বাংলা প্রভাষক হালিমা খাতুনকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী, ব্যবস্থপনা কমিটি এবং স্থানীয় এলাকাবাসী। রবিবার সকাল ১১ টায় উপজেলার বড়চওনা-কালিহাতী সড়কের ভূয়াইদ খালপাড় এলাকায় ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আব্দুল মান্নান শিকদারের সভাপতিত্বে, অধ্যক্ষ মেহেদী হাসান জুয়েল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী, স্থানীয় নূরে আজম, খান আহমেদ হৃদয় পাশা প্রমুখ বক্তব্য দেন। এ সময় বক্তারা হামলা ও লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করে অভিযুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম এবং গেস্ট টিচার ওমর ফারুক রবিনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।
জানা যায়, গত ১১ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষের কক্ষে শিক্ষকদের হাজিরা খাতায় জৈষ্ঠতার ভিত্তিতে স্বাক্ষর করা নিয়ে কলেজের ইংরেজি প্রভাষক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে অধ্যক্ষ মেহেদী হাসান জুয়েলের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রফিকুল ইসলাম তার সহযোগী গেষ্ট টিচার ওমর ফারুক রবিন অধ্যক্ষের উপর হামলা চালায়। এ সময় বাংলা প্রভাষক হালিমা খাতুনকেও লাঞ্ছিত করেন ওই দুই শিক্ষক। পরে আহত অবস্থায় অধ্যক্ষকে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
অধ্যক্ষ মেহেদী হাসান জুয়েল বলেন, হামলার ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর ওই দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় লিখিত একটি অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকেও লিখিতভাবে অবগত করানো হয়েছে।
হামলাকারী মুঠোফোনে রফিকুল ইসলামকে পাওয়া না গেলেও গেষ্ট টিচার ওমর ফারুক রবিন বলেন, অধ্যক্ষ মেহেদী হাসান জুয়েল নিয়ম বহির্ভূত জুনিয়র শিক্ষক হালিমা খাতুনকে সিনিয়র হিসিবে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করানোয় সিনিয়র শিক্ষক রফিকুল ইসলামের সাথে অধ্যক্ষ স্যারের কথা কাটাকাটি হয়। তবে তিনি কোন হামলা বা লাঞ্ছিতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন।
প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
