অপারেশন করতেই হবে। তার মানে সাকিব আল হাসানের বাঁ-হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলে অস্ত্রোপচার করতে হবেই। এ খবর জানা হয়েছে আগেই; কিন্তু কবে, কখন ও কোথায় হবে? সেটাই ছিল অজানা। তা নিয়ে এখনো সংশয় আছে।

সাকিব চেয়েছিলেন ঈদের পর, মানে এশিয়া কাপের আগে অস্ত্রোপচারটা করে রাখতে। যাতে আরব আমিরাতে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপে অংশ নেয়া সম্ভব না হলেও ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে সিরিজ যেন ঠিকমত খেলা যায়।

আর বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের ইচ্ছে ছিল, সাকিব এশিয়া খেলুক। তার ভাষায় এশিয়া কাপ মহাদেশীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এবং শ্রেষ্ঠত্বের আসর। বাংলাদেশ আগের দু’বারের ফাইনালিস্ট। কাজেই এ আসরে বাংলাদেশ সেরা দল নিয়ে পূর্ণশক্তিতে বলিয়ান হয়ে এশিয়া কাপ খেলুক। সাকিব না থাকার অর্থ শক্তি কমে যাওয়া। আর তাই বিসিবি বিগ বস চেয়েছিলেন, সাকিব এশিয়া কাপ খেলে তারপর অপারেশন করাক।

তাতে করে হয়তো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজ খেলা হবে না। তাতে সমস্যা নেই। সাকিব ছাড়াও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দেশের মাটিতে বাংলাদেশ ফেবারিট। ওই সিরিজে সাকিব ছাড়াও হয়তো জেতা সম্ভব। এমন অনিশ্চয়তার দোলাচালে দুলছিল সাকিবের আঙ্গুলে অস্ত্রোপচারের ইস্যুটি।

তবে এবার মনে হচ্ছে, বিসিবি সভাপতি পুরো বিষয়টি সাকিবের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন। সাকিবের ইচ্ছে মতই হবে তার বাঁ-হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুলের অপারেশন।

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের শেষ কথা, আমি বা আমরা সাকিবের ওপরই সব ছেড়ে দিয়েছি। আজ বিকেলে মিডিয়ার সাথে এ প্রসঙ্গ নিয়ে আলাপে বিসিবি বিগ বস বলেন, ‘সাকিব হজে যাওয়ার আগে আমাকে ফোন করেছিল। সে জিজ্ঞেস করেছিল, কি করবে সে? আমি বলেছি, তোমার যদি হাতে ব্যথা থাকে, আর যদি মনে কর এভাবে খেললে সমস্যা হবে, তাহলে তুমি অপারেশন করে ফেল। আমি ঠিক এই কথাটাই বলেছি তাকে। এটাও বলেছি, তুমি যদি মনে কর, এশিয়া কাপে খেলা সম্ভব তাহলে এশিয়া কাপের পরে কর, দলের জন্য ভালো হবে। যেটাই করো সিদ্ধান্ত তোমার উপর।’

বিষয়টি নিয়ে কোনরকম ধুম্রজাল তৈরি হয়েছে, তা মানতে রাজি নন পাপন। তাইতো মুখে এমন কথা, ‘এটা নিয়ে কোন দ্বীধার ব্যাপার নেই। আমরা একটা চাচ্ছি, সাকিব ভিন্ন কিছু চাইছে- বিষয়টি এমন নয়। ওর যে হাতে ব্যথা, আর অপারেশন লাগতো এটাই তো ঠিক মত জানা ছিল না। সে যে ওয়েস্ট ইন্ডিজে খেলে আসল, আর নিদাহাস কাপ খেলে আসল, আমরা তো ওর ইনজুরি নিয়ে কিছুই জানি না। এই সিরিজের ফাইনাল খেলার পর জানতে পারলাম। এর আগে তো জানাই ছিল না যে তার হাতে ব্যথা। বিষয়টা আমাদের জন্য একেবারেই নতুন।’

শুধু সাকিব কেন, যে কোনো খেলোয়াড়ের জন্যই দ্রুত ভালো কিছু করার পক্ষে বিসিবি। পাপন বলেন, ‘শুধু সাকিব নয়, যে কোন প্লেয়ারের হাতে যদি ব্যথা থাকে, আমরা তো অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব সেটার সমাধান চাইব। দেশে ফেরার পর কোচের সাথে বৈঠকে জানা গেল, সে এখন অপারেশন করাতে চাইছে। তখন আমার মনে হয়েছে, যদি হাতে ব্যথা থাকে তাহলে তো আর খেলতেই পারবে না; কিন্তু যদি পরে করার সুযোগ থাকে তাহলে আমরা অবশ্যই চাইব যে জিম্বাবুয়ে সিরিজ কিংবা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সময় করলে ভালো হয়, ভালো হয় দলের জন্য। এখন পুরোটাই নির্ভর করছে ফিজিও, ডাক্তার ও সাকিবের উপর।

এই ধরনের আরও খবর

সর্বশেষ খবর

PinUp Nedir ve Nasıl Çalışır? Kapsamlı Bir Rehber

How to Complete Your Boo Casino Sign Up in New Zealand

How to Register and Start Playing at Boo Casino in New Zealand

Boo Casino NZ Review: Is It Worth Your Time?