এম সাইফুল ইসলাম শাফলু : টাঙ্গাইলের সখীপুরে হামিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের ওই ভবন নিয়মবহির্ভূত রাতের আঁধারে ঢালাইয়ের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস উচ্ছল কন্সট্রাকশন। ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী। সোমবার রাতে সরেজমিন গেলে শ্রমিকদের মূল ভবনের কলাম ঢালাইয়ের কাজ করতে দেখা গেছে। নির্মাণ শ্রমিকরা জানান ঠিকাদারের নির্দেশেই রাতের আধারে কাজ করতে বাধ্য হয়েছি। পরে রাতের আধাঁরে নিন্ম মানের কাজ হচ্ছে খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঢালাইয়ের কাজে বাধা দেন।
জানা যায়, নিন্ম মানের ইট, খোয়া, বালি ও রড দিয়ে ওই ভবনের কাজ করা হচ্ছে। কাজের সময় একজন সহকারী প্রকৌশলী থাকার কথা থাকলেও ম্যানেজ করে বেশির ভাগ সময় উপস্থিত থাকেন না তারা । ইচ্ছে মতো নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে রাতের আধারে কলাম ঢালাই করছে নির্মাণ শ্রমিকরা। নির্মাণ কাজে যে অনুপাতে সিলেকশন বালু ব্যবহার করার কথা তা করছে না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ইতিমধ্যে রাতে ঢালাইয়ের কাজ করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্মাণ কাজে অনিয়ম করার জন্যই ঠিকাদারের লোকজন রাতের বেলায় ঢালাই করছে। নির্মাণ কাজ চলাকালীন এলজিইডির অধিদফতরের একজন তত্বাবধায়ক থাকার কথা থাকলেও উপস্থিত ছিল না। এই সুযোগে সরকারি অর্থে নির্মিত নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম করছে ঠিকাদার। শুরু থেকে বিদ্যালয়ের নির্মাণে অনিয়ম করছে। অনিয়মের বিষয়টি কর্তপক্ষকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় নাজমুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হচ্ছে। সেই জনগুরত্বপূর্ণ ভবন নির্মাণে অনিয়ম করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজে অনিয়মের কারণে কয়েকবার সর্তক করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মের্সাস উচ্ছল কন্সট্রাকশনের সহযোগী নুরুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী হাসান ইবনে মিজান বলেন, রাতে ঢালাই করার কোনো নিয়ম নেই। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে রাতেই কাজটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
