সিলেটে প্রবল বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে সীমান্তনদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবারও বন্যার আশঙ্কায় লাখো মানুষ। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, আগামী দুই দিন ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় নদ নদীর পানি কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে, তবে প্রবল বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমলেও বাড়ি ফিরতে পারছেন না আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ। জকিগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এখনো ৩২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র ২৮ হাজার মানুষ। এসব উপজেলায় বাড়ি ফেরার মত অবস্থা তৈরি হয়নি, কোনো কোনো স্থানে পানিবন্দি অবস্থা দীর্ঘায়িত হওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে আসছে মানুষ।
অন্যদিকে সারি, গোয়াইন ও ধলাই নদীর পানি বেশ কিছু উন্নতি হওয়ায় যারা বাড়ি ফিরেছিলেন, গত দুই দিন পানি বাড়তে থাকায় আবারও বিপাকে পড়েছে কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাটের হাজারো মানুষ।
গতকাল সন্ধ্যা থেকে সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে সিলেট পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানি অমলশীদ পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৯৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে আর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১০২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।গতকাল সন্ধ্যা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সারি নদীর পানি বেড়েছে ১৩ সেন্টিমিটার, ধলাই নদীর পানি বেড়েছে ৩৪ সেন্টিমিটার।
