Homeদেশের খবরতামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের দ্রুত পাস করার দাবিতে মানববন্ধন

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের দ্রুত পাস করার দাবিতে মানববন্ধন

নিউজ ডেস্ক: তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়া সংশোধনী দ্রুত পাস করার দাবিতে তরুণ সমাজ ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পূওর (ডরপ) যুব ফোরাম এবং এন্টি-টোব্যাকোউইং, লক্ষ্মীপুর সাংবাদিক ফোরামের যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস (সিটিএফকে) এর গ্র্যান্টস ম্যানেজার আবদুস সালাম মিয়া, সিটিএফকে সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার মো. আতাউর রহমান মাসুদ এবং ডরপ এর উপ-নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান প্রমুখ। এছাড়াও মানববন্ধনে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান), স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, উন্নয়ন সমন্বয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টোব্যাকো কনট্রোল রিসার্চ সেল,ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ডব্লিউবিবি ট্রাস্টসহ বিভিন্ন তামাক বিরোধী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনপ্রণয়ন করা হয় এবং ২০১৩ সালে আইনেসংশোধনী আনা হয়। কিন্তু আইনটি যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে দুর্বলতাসমূহকে চিহ্নিত করে সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়খসড়া সংশোধনী প্রস্তাব প্রস্তুত, ওয়েবসাইটে প্রকাশ এবং জনমত গ্রহণ করেছেন। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের এই সংশোধনী খসড়ার বিশাল জনমতকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য তামাক কোম্পানিগুলো ভুয়া জনমত সংগ্রহ করা সহ গণমাধ্যম ব্যবহার করে নানাবিধ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে।

মানববন্ধনে আরও উল্লেখ করা হয়, আমরা সকল তামাক বিরোধী সংগঠন তামাক কোম্পানির এই অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই এবং নীতি-নির্ধারকদের কাছে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের খসড়া সংশোধনী প্রস্তাবনা দ্রুত পাস করার দাবি জানাই।

তামাক নিয়ন্ত্রণের এই খসড়া সংশোধনী প্রস্তাব দ্রুত পাস করার দাবিতে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী বক্তারা বলেন, বিভিন্ন গবেষণায় দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, প্রতি বছর বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারজনিত বিভিন্ন রোগে ১ লাখ ৬১ হাজার এরও বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে, পঙ্গুত্ববরণ করে প্রায় ৪ লাখ মানুষ এবং তামাক ব্যবহারকারীর অর্ধেকই মারা যায় তামাক সেবনে। গণপরিবহনে ও পাবলিক প্লেসে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয় প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ। এছাড়াও তামাক ব্যবহারজনিত মৃত্যু ও অসুস্থতার কারণে স্বাস্থ্য খাতেবাংলাদেশ সরকারের বছরে প্রায় ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়যা তামাকখাত থেকে অর্জিত রাজস্ব আয় (২২০০০ হাজার কোটি টাকা) থেকে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।

 

 

 

 

RELATED ARTICLES

Most Popular