টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তৎকালীণ আবাসিক চিকিৎসক সাইদুর রহমান আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় জানান, আঘাতজনিত কারণেই রূপার মৃত্যু হয়েছে এবং মৃত্যুর আগে ধর্ষণের শিকার হওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। দুপুর ১২টার দিকে সাক্ষ্য দেয়ার পর আসামিদের আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন ও শামীম চৌধুরী তাকে ঘণ্টাব্যাপী জেরা করেন।
চিকিৎসক সাইদুর ছাড়াও রূপার ভ্যানেটি ব্যাগ জব্দ করার সাক্ষী পুলিশ কনস্টেবল আব্দুল হান্নান এবং মরদেহের সুরতহাল করার সাক্ষী মধুপুরের জলছত্র এলাকার আব্দুল মান্নান ও শিশির মোহন সাক্ষ্য দেন।
এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এ মামলার ১৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
১৭ জানুয়ারি (বুধবার) এ মামলার আসামিদের ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধকারী চার বিচারিক হাকিমের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।
৩ জানুয়ারি মামলার বাদী মধুপুরের অরণখোলা ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে চাঞ্চল্যকর এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণকালে মামলার পাঁচ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
