কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. রবিন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় বাদী হয়ে ধর্ষিতা নিজেই তার বাবার বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মঙ্গলবার বিকালে থানায় মামলা করার পর সন্ধ্যায় উপজেলার জামালপুর গ্রাম থেকে অভিযুক্ত ধর্ষক সৎ বাবা মো. রবিন মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি উপজেলার জামালপুর গ্রামের আবদুর রউফের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার সকালে ধর্ষকের বাসায় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগে বলা হয়।
পুলিশ সূত্র ও অভিযোগে জানা যায়, ধর্ষিতা কিশোরীর বাবা তার মাকে তালাক দিলে মা রবিন মিয়াকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।
এই দ্বিতীয় সংসারে মা তার মেয়েকে নিয়ে স্বামীর বাসা জামালপুর গ্রামেই থাকত। কিন্ত সৎবাবা রবিনের চোখ পড়ে সৎ মেয়ের ওপর।
গত বৃহস্পতিবার সকালে তার মা যখন বাসায় ছিলেন না তখন রবিন সৎ মেয়ের মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। পরে ঘটনাটি তার মাকে জানায়। ঘটনার পর সৎবাবা হুমকি দেয় ঘটনাটি কাউকে জানালে পরিণতি ভালো হবে না। এরপরও ঘটনার ৫ দিন পর ধর্ষিতা মেয়ে মঙ্গলবার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
ধর্ষিতার মা জানান, আমার স্বামী এমন ঘটনা ঘটাবে আমি কখনো ভাবতে পারেনি। তার হুমকির ভয়ে মামলা করতে ৫ দিন দেরি হয়েছে। আমি এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। এমন স্বামীর সংসার তিনি করবেন না বলে তিনি জানান ।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা জানান, ধর্ষিতা নারী তার মাকে নিয়ে থানায় এসে অভিযোগ দেওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষক রবিনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ওই নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।
