জেলা ভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্প (৬৪ জেলা) তৃতীয় সংশোধনী অনুমোদন ও রাজস্ব বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করণের দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানালেন ৬৪ জেলার কর্মকর্তারা
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম সহায়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে জাতীয় মহিলা সংস্থার আওতাধীন ‘জেলা ভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রকল্প ৬৪ জেলা” ।
জনাব শফিকুল ইসলাম বলেন: খুব বেশি কথা আমি বলবো না। যেটুকু বলবো সেটুকু দায় স্বীকার। সেটুকু কৃতজ্ঞতা প্রকাশের।
কেননা আমাদের প্রকল্পটি যখন মেয়াদ শেষের দ্বার প্রান্তে কোমায় পৌঁছে গিয়েছিল সেই সময় একদিকে যেমন রুটি রুজির প্রশ্ন অপরদিকে আউটসোর্সিং নামক আক্রমনাত্তক ভয়াবহ থাবা।
আমাদের তখন সেই কোমা থেকে নিবিড় সেবা-সশ্রুষা করে জাতীয় মহিলা সংস্থার সুযোগ্য ও ডাইনামিক চেয়ারম্যান জনাব চেমন আরা তৈয়ব মহোদয় জনাব চৈমন আরা তৈয়ব স্যার আমাদের আজকের এই সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। ।
শুধু তাই নয়, প্রকল্প তৃতীয় পর্যায়ে সংশোধনের মতও একটি নজীর বিহিন বিরল দৃষ্টান্ত ও স্থাপন করেছেন । স্যার তার যোগ্য নেতৃত্ব, বিচক্ষণতা এবং আমাদের প্রতি প্রবল মমত্ববোধ থেকেই তিনি এই কাজটি করেছেন।
তাই জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার এবং অত্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় মহিলা সংস্থার সুযোগ্য ও ডাইনামিক চেয়ারম্যান জনাব চেমন আরা তৈয়ব মহোদয়। স্যারের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। একটা মুমূর্ষ জনবলকে পায়ের নিচে শক্ত একটা ভিত তৈরি করে দেয়া মোটেই কম কথা নয়। এটা একটা বিরাট ব্যাপার।
সেকারণে আমারা ঋণি। জাতীয় মহিলা সংস্থার সুযোগ্য ও ডাইনামিক চেয়ারম্যান জনাব চেমন আরা তৈয়ব প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। স্যারে হাত ধরে আমরা রাজস্ব খাত যাবো। আরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জিনিয়া মাহমুদা, মো: ফয়জুল হক সুমন, ইঞ্জিনিয়ার সবুজ, জহিরুল ইসলাম টুটুল,মিজানুর রহমান ভাইয়ের প্রতি। স্বপ্নটি বাস্তবায়নে সময়ের অপেক্ষা মাত্র মনে করি।
