আমাদের দিনগুলো কেমন যেন হয়ে যাচ্ছে! চিন্তা করে দেখেছেন শিশুহত্যা আর ধর্ষণ কী পরিমাণ বেড়েছে ? কী ওষুধ আছে এর বলেন ? সারা দিন আমরা মানবতার কথা বলি কিন্তু আমাদের কথা কি পৌঁছাচ্ছে সঠিক জায়গায় ? আমাদের একটি জায়গায় অসহায়ত্ব তৈরি হচ্ছে আর তা হলো আমরা শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটি তৈরি করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছি! বাবার কাছে ছেলে এখন আর্জি নিয়ে যায় না, যায় মর্জির ভয়াবহ একটা রূপ নিয়ে। অনেক সন্তান বলে আমাকে এটা কিনে না দিলে আমি আত্মহত্যা করব অথচ এই ছেলের ফেসবুক আইডি, সামাজিক চলাচল ঘেঁটে দেখুন সে কতটা স্ট্যান্ডার্ডভাবে জীবনযাপন করে! নৈতিক শিক্ষার কথা বলবেন তার দায়িত্ব কে নেবে আর কেনই বা
আপনার কথা মানুষ শুনবে ? যে শিশুটিকে তার বাবা মেরে ফেলল এই শিশুটির কী কী অধিকার ছিল দেখুন তো তার অবলা মুখে আপনি দেখতে পান কি না ? আসলে আমরা শেষ হয়ে যাচ্ছি বায়বীয় প্রেতাত্মা বহনকারী কোনো রোগে ! একটি শিশুর অভিশাপ আরেকটি ঘর বিনাশ করে দিচ্ছে আর আমরা মেনে নিতে নিতে এমন হয়ে গেছি নিজের ঘরে আগুনের লেলিহান শিখা না দেখা পর্যন্ত নড়ে উঠে বলি না এই পানি দে আগুন ধরেছে ! আমাদের একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা কি শুধু বিচার চাই বিচার চাই বলব নাকি আমরা বলব বাঁচতে চাই, বাঁচতে চাই ?
যদি বাঁচতে চাই, বাঁচতে চাই বলতে চাই তবে আর অপেক্ষা নয় এমন একটি কাঠামো দাঁড় করতে হবে যা পুরো সামাজিক চিন্তাকেই ঢেলে সাজানোর মতো খুঁটি থাকে ! আসুন একে একে বলতে শুরু করি আমরা একটু কোমলভাবে বাঁচতে চাই। এমন কিছু প্রতিযোগিতা চাই যাতে শুধু দেখানোর আলগা ভাব না থাকে, যাতে অসুস্থতা না থাকে, যাতে না থাকে অস্থিরতা। সবুজ পৃথিবীর আন্দোলনে যারা আছে, যারা বলে বেড়ায় সুন্দর একটি বাসভ‚মি চাই আসুন কথাগুলো উচ্চস্বরে বলি আর প্রতিধ্বনি করে করে ঢুকিয়ে দেই পাপী আত্মাগুলো অন্ধ কুটিরে।
