টাঙ্গাইলের খামারিরা দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: সামনে কোরবানির ঈদ। তাই পরম যত্নে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করতে ব্যস্ত টাঙ্গাইলের খামারিরা। ঈদের ঠিক আগে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ না হলে এ বছর ভাল লাভের আশা খামারিদের।

কোরবানির ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে খামারি ও কৃষকেরা ততই গরুর যত্ন বাড়িয়ে দিচ্ছেন। চাহিদা অনুযায়ী গরু দেখতে সুন্দর এবং কাঙ্খিত পরিমাণে মোটা তাজা হওয়ায় এ বছর ঈদে গরু বিক্রি করে ভাল লাভের স্বপ্ন দেখছেন খামারিরা। কয়েকদিন পরই বিক্রির জন্য হাটে তুলবেন গরুগুলোকে। তাই গরুর খাবারের তালিকাটা ক্রমেই সমৃদ্ধ হচ্ছে। দেশীয় পদ্ধতিতে খৈল, কুড়া, ভুসি, ছোলা, খেসাড়ির ডালসহ বিভিন্ন রকমের খাবার তৈরি করে যত্ন করে খাওয়াচ্ছেন গরুগুলোকে। এ বছর ঈদে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ না হলে কাঙ্ক্ষিত লাভের আশা খামারিদের।

খামারীরা বলেন, ‘ইন্ডিয়া থেকে গরু আসলে দাম পরে যাবে। আমাদের লস হয়ে যাবে। আমাদের খামার বন্ধ করে দিতে হবে আমরা বেকার হয়ে পরবো।’ গরু পরিচর্যাকারীদের দাবি, মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর কোন প্রকার ঔষধ ছাড়াই দেশীয় পদ্ধতিতে যত্ন সহকারে গরু লালন পালন করছেন তারা। পরিচর্যাকারীরা বলেন, ‘আমরা ফ্যাট জাতীয় কোণ খাবার খাওয়ায় না। ভুসি,নালী গুড় খড়, ঘাস এগুলো খাওয়ায় আমরা।’

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার প্রাণি সম্পদ ভেটেরিনারি সার্জন ডা.শরিফ আব্দুল বাতেনের দাবি, নিয়মিত খামার পরিদর্শন করা হচ্ছে এবং কোন খামারি ক্ষতিকর ইনজেকশন বা ট্যাবলেট ব্যবহার করছে কিনা তা কঠোরভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘কোন স্টেরয়েড ওষুধের ব্যবহার এখন পর্যন্ত দেখতে পায়নি।’

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এসএম আওয়াল হক জানান, ভারত থেকে গরু আনা বন্ধে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্টেক হোল্ডারসহ সবার সঙ্গে মিলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে বাইরে থেকে কোন গরু প্রবেশ করবে না।’ এ বছর জেলায় গরুর চাহিদা ৬৫ হাজার আর গরু আছে ৮৭ হাজার। গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ হাজার গবাদি পশু বেশি রয়েছে।

এই ধরনের আরও খবর
- Advertisment - 📰 নিজেই তৈরি করুন প্রফেশনাল নিউজ ফটো কার্ড! ছবি ও শিরোনাম যোগ করুন, তৈরি করুন এবং HD ডাউনলোড করুন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। এখনই তৈরি করুন → Powered by News Tangail

সর্বশেষ খবর