নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্কঃ আওয়ামী লীগে যোগদানের জন্য রাত-দিন অনুরোধ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। তিনি বলেছেন, ‘রাত-দিন আওয়ামী লীগে যাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করা হচ্ছে। আমি কীভাবে যাব? যেখানে মতিয়া চৌধুরী, হাসানুল হক ইনু বসে আছেন, যারা বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ছিলেন, তাদের পাশে বসে রাজনীতি করব! সেখানে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘৭৫-এর বঙ্গবন্ধু হত্যার সময় প্রতিরোধ যুদ্ধে জাতীয় মুক্তিবাহিনীর যোদ্ধাদের মিলন মেলা’ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে ১৯ বছর পর এক মঞ্চে মিলিত হলেন সাবেকমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তারা দুজন সহোদর। এ প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রায় ১৯ বছর আমরা দু’ভাই পাশাপাশি কোন জনসভায় বসিনি। খুব সম্ভাবত একটা জানাজায় আমরা একত্রিত হয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইয়াহিয়ার জন্য রাস্তাঘাট বন্ধ করেছিলাম। কিন্তু দেশের ভেতর এমন শত্রুতা আগে কখনও দেখিনি।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বাংলাদেশ এমন হবে জানলে আমি যুদ্ধে যেতাম না। যে লতিফ সিদ্দিকীরা আওয়ামী লীগকে জন্ম দিয়েছিলেন তাকেই দল থেকে বের করা হয়েছে। যারা তার স্যান্ডেল টেনেছেন তারা এখন মন্ত্রী হয়ে বসে আছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর ছোট ভাই বাবুল সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মহাসচিব হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতীক, অর্থ সম্পাদক আবদুলাহ বীরপ্রতীক, কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিণী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী, সাবেক পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান কায়সার চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর প্রতিরোধ চলাকালে বঙ্গবীরকে লেখা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি চিঠি পড়ে শোনানো হয়।
