এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মধুপুর উপজেলা শহরে এক চিকিৎসকের বাসায় আশ্রিতা হিসেবে বসবাস করা ওই নারী পালবাড়ী গ্রামের মেয়ে। ওই চিকিৎসক পালবাড়ী গ্রামের জালালের জামাতা। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই নারী আশ্রয়দাতা চিকিৎসকের সন্তানকে পালবাড়ীতে রেখে ভাইঘাট বাজার হয়ে মধুপুর ফিরছিলেন।
বাজারে এসে একা অটোযাত্রী হয়ে অপেক্ষা করার সময় সিয়াম, মামুনরা যাত্রী হয়ে ওই নারীর সঙ্গে মধুপুরের দিকে আসে। বাঘিল আসার পর মানিক মোটরসাইকেল যোগে অটোরিকশার গতিরোধ করে জোরপূর্বক ঘুরিয়ে এনে ভাইঘাট বাজারের ট্রাক ড্রাইভার্স ইউনিয়নের এক কক্ষে তোলে। সেখানে মানিকের নেতৃত্বে সিয়াম, মামুনসহ ৫/৭ জন মিলে ওই নারীর ওপর নির্যাতন চালায়।
স্থানীয়রা একে ধর্ষণ বললেও ওই নারীর পক্ষের অভিভাবকগণ লোকলজ্জার ভয়ে একে ধর্ষণ বলতে নারাজ। প্রভাবশালীদের ভয়ে স্থানীয়রাও এ বিষয়ে মুখ খুলছে না। দুদিন পর বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনা ঘটার ওই অফিসেই শালিস বসে। ওই যুবকদের অভিভাবকসহ লাঞ্ছিত নারীর পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান আকবর হোসেন সামান্য চড়খাপ্পড় দিয়ে মীমাংসা করেছেন। শাালিসে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা স্বীকার করে ধোপাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আকবর হোসেন সাংবাদিককে বলেন, এটি একটি ভুল বোঝাবুঝির বিষয়। মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে।