নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের অনানুষ্ঠানিক ভাবে মনোনয়নের চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগ।রবিবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত প্রার্থীদের হাতে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনার স্বাক্ষরযুক্ত চিঠি তুলে দেয়া হয়।যারা নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেন, তাদেরই এ চিঠি দেয়া হয়েছে।
আনুষ্ঠানিক ভাবে গত সোমবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় জোটগত (মহাজোট) প্রার্থী ঘোষণা করা হবে।
এবার যেহেতু সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে,তাই পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা এবং বিজয়ের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে নতুন কিছু মুখ বেছে নিয়েছে টানা দুইবার সরকারে থাকা ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।
নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই নতুন কিছু মুখের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।আর এ নতুন মুখদের তালিকায় স্থান পাননি আলোচিত প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর)থেকে মনোনয়ন চেয়েছনে তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।এ আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু।এমনকি বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল বাতেনকেও বাদ দেয়া হয়েছে।
তারানা হালিম চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মনোনয়ন না পাওয়ায় এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেক প্রশ্ন দেখা দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে,সরকারের শেষ সময়ে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল হয়।মন্ত্রিসভার কলেবর বৃদ্ধি ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টনে সবচেয়ে চমক হয়ে এসেছে ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।এ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে তারানা হালিমকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। সেসময় এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় পড়েন তিনি।
২০০৯ সালে তারানা হালিম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম নির্বাচিত হন।পরবর্তীতে তাকে ‘সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়’সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যের দায়িত্ব দেয়া হয়।তারানা হালিম ছাড়াও বাদ পড়েছেন কয়েকজন হেভিওয়েট মন্ত্রী-এমপি।
