নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: টাঙ্গাইলে নতুন করে আরো একজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে এ জেলায় ১২ জনের দেহে করোনার ভাইরাসে শনাক্ত হল।
এ ঘটনার পর মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে আক্রান্তের বাড়িসহ আশপাশের ৩০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি ঢাকায় একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করেন।
মঙ্গলবার সকালে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকতা মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান জানান, আক্রান্ত ওই ব্যক্তি গত ১০ এপ্রিল (শুক্রবার) ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। পরে রোববার (১৯ এপ্রিল) তার নমুনা সংগ্রহ করে সোমবার ঢাকায় পাঠানো হয়। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার আইইডিসিআর থেকে জানানো হয় ওই ব্যক্তি করোনা ভাইরাস পজিটিভ। পরে ওই বাড়িসহ ৩০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আক্রান্ত ব্যক্তি ঢাকার এরিস্টোফার্মা ওষুধ কোম্পানিরতে চাকরি করেন। এর আগে উপজেলার নন্দপাড়া গ্রামে যে ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন তার সঙ্গেই তিনি একত্রে কাজ করতেন। তবে তারা আলাদা থাকতেন। এ নিয়ে নাগরপুর উপজেলায় মোট চারজন আক্রান্ত হলেন।
সিভিল সার্জন মো. ওয়াহীদুজ্জামান জানান, জেলায় মোট ১২ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হলো। এর মধ্যে ভূঞাপুর উপজেলায় পাঁচ জন, নাগরপুর উপজেলায় চার জন এবং ঘাটাইল, মির্জাপুর ও মধুপুর উপজেলায় একজন করে।
আরও পড়ুন:- টাঙ্গাইলে ফাঁকা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাককে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, চালক নিহত
নিহত ট্রাকচালকের নাম মো. হোসেন আলী। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার বাসিন্দা। এ ঘটনায় আহত তিনজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন- ট্রাকের হেলপার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নিশিন্তপুর গ্রামের নাঈম হোসেন, ট্রাক যাত্রী নওগাঁর ফারুক হোসেন ও জান্নাতুল।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গুল্যা এলাকায় একটি মালবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে ছিল। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ঠাকুরগাঁওগামী মালবাহী অপর একটি ট্রাক ফাঁকা সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ট্রাককে পেছন দিয়ে ধাক্কা দেয়।
এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালক হোসেন আলীর মৃত্যু হয়।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র অফিসার সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
