এম সাইফুল ইসলাম শাফলু: টাঙ্গাইলের সখীপুরে গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদকে (৩৫) কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নিজ গ্রাম ইছাদিঘীতে শালিশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাতেই তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার ওই ইউপি সদস্যের স্ত্রী রুমি আক্তার বাদী হয়ে ওই এলাকার ৫ জনকে আসামি করে সখীপুর থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা করেন। পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইছাদিঘী গ্রামের মফিজুল ইসলাম (৩৫) এবং রনি মিয়াকে (২২) গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শামসুল আলম বলেন, দুই জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বাকি তিন আসামিকেও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।ৎ
গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য শিউলি আক্তার বলেন, আবুল কালামের শরীরে চার-পাঁচ স্থানে দায়ের কুপের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়াও পায়ের ওপরের অংশের মাংশ পেশিতে গভীর কোপের ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।
মামলার বাদী আবুল কালামের স্ত্রী রুমি আক্তার বলেন, আমার স্বামী এখন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। যারা তাঁর স্বামীকে হত্যা করতে চেয়েছিল তাদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম তুহীন আলী বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে অপরদেরও আজ কালের মধ্যেই গ্রেফতার করা হবে।
