স্থানীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান শাহরিয়ার নাফিস বিপিএলের ষষ্ঠ আসরে কোনো দল পাননি। শুধু নাফিস নয়, আব্দুর রাজ্জাকের মতো অভিজ্ঞ স্পিনারেরও জায়গা হয়নি দলে।
এছাড়া একসময় বাংলাদেশ দলের ভবিষ্যৎ লেগ স্পিনার হিসেবে বিবেচিত জুবায়ের লিখনের প্রতিও কোন দল আগ্রহ দেখায়নি। গত আসরে নাফিস রংপুর রাইডারস হয়ে খেলেছিলেন তিনি। সেই আসরে তুলানামুলকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করলেও এবার তাঁর প্রতি কেউ আগ্রহ দেখায়নি।
একই দলের আরেক খেলোয়াড় আব্দুর রাজ্জাকও বয়সের কারণেই আগ্রহের বাইরে থাকলেন। ঘরোয়া লিগে রানের ফোয়ারা ছুটানো তুষার ইমরানের প্রতিও কেউ আগ্রহ দেখায়নি। এছাড়াও দল পাননি তানবির হায়দার খান, নাজমুল হোসেন মিলন, আসিফ আহমেদ রাতুল, ইরফান শুক্কুর, সাকলাইন সজীব, মুক্তার আলি, ধীমান ঘোষ, ইলিয়াস সানীর মতো নিয়মিত বিপিএলে খেলা ক্রিকেটাররাও।
মার্শাল আইয়ুবকে রাজশাহী কিংস দলে ভিড়িয়ে চমক দেখিয়েছে। গত তিন আসরের একটি আসরেও মার্শাল আইয়ুবকে নিয়ে কেউ আগ্রহ দেখায়নি। ২০১৩ সালে চিটাগংয়ের হয়ে শেষবার বিপিএল খেলেছিলেন।
